বুধবার, ১২ মে ২০২১, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন

অবশেষে ৪ দিন পর মামলা নিল ফতুল্লা থানা পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ২২২ জন পড়েছেন
সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৫৮ অপরাহ্ন
অবশেষে ৪ দিন পর মামলা নিল ফতুল্লা থানা পুলিশ

ফতুল্লার সস্তাপুরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর,মারধর ও লুটপাটের ঘটনার ৪ দিন পর মামলা নিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে ফতুল্লার সস্তাপুর কাষ্টমের মোড় এলাকায় আমির কন্ট্রাক্টরের সিমেন্ট ক্রয় বিক্রয় প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটলেও সোমবার রাতে তা মামলা হিসেবে গ্রহন করে পুলিশ।হামলাকারী সন্ত্রাসীরা এলাকায় কিশোর গ্যাং হিসেবে পরিচিত হলেও ফতুল্লা মডেল থানার ওসি সন্ত্রাসীদের কিশোর মানতে নারাজ।  তবে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের কাউকেই পুলিশ ৪দিনেও গ্রেফতার করতে পারেনি।
এলাকাবাসী জানান, সন্ত্রাসী নাসির, হাবিব, ফাহিম, সাজ্জাদ, রাসেল, নাইম, সাগরসহ তাদের বাহিনীতে অন্তত ২০/২২ জন উঠতি বয়সের ছেলে রয়েছে। তাদের এতুটুকু বয়সেই চেহারা দেখতে বিকট। কেউ লম্বা চুলে সামনে রং করেছে আবার কেউ হাল্কা দাড়ি মুছে স্টাইল করেছে। তারা প্রকাশ্যেই রিকশার গ্যারেজ অথবা ম্যাচ বাসায় পলিথিনে জুতার আঠা ভরে ডান্ডি নামক নেশা করে আবার কেউ ইয়াবার নেশা করে।
কেউ কোন কাজ কর্ম না করলেও তাদের গ্রুপে রয়েছে ৩/৪টি মোটর সাইকেল। দিন আর রাত কখনো তাদের মোটর সাইকেল গুলো দুই মিনিটের জন্য বন্দ থাকেনা। সস্তাপুর, ইসদাইর, কোতালেরবাগ,কুতুবআইল,তক্কারমাঠসহ অন্তত ৮/১০ এলাকায় দাবরিয়ে বেড়ায়।
পূর্বের ওসি আসলাম হোসেন ও জেলা ডিবি পুলিশ এ গ্যাংয়ের সদস্য আকাশ,সম্রাটসহ অনেককেই মাদক অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে অপরাধ দমন করে রেখে ছিলেন। তারা দীর্ঘদিন জেলখেটে বের হয়ে আবারো তাদের গ্যাং এর সকলকে সক্রিয় করে তুলেছে। এরমধ্যে কাদির জসিম নামে চাচা ভাতিজা সম্প্রতি ওই কিশোর গ্যাংটিকে লালন করছে বলে এলাকাবাসীর দাবী।
তবে অপরাধীদের বয়স বিবেচনা নয় তাদের দ্রুত গ্রেফতার করা না হলে তাদের হাতে সাধারন মানুষ হতাহত হতে পারে এবং বড় ধরনের ক্ষতির পূর্বে তাদের শেল্টারদাতাসহ গ্রেফতার করার দাবী জানান এলাকাবাসী।
কিশোর গ্যাং এর হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ আমির কন্ট্রাক্টর জানান, নাসির, হাবিব, ফাহিম, সাজ্জাদ, রাসেল, নাইম, সাগরসহ তাদের সাথে আরো যারা আছে সবই কিশোর অপরাধী। তারা মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকাসক্ত। এলাকায় যাকে তাকে নেশা করে অকারনে মারধর করে টাকা পয়সা লুটে নেয়। শুক্রবার রাতে আমি ও আমার ছেলে সুমন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ছিলাম না।
তবে আমার ফুপা আহম্মদ, চাচাতো ভাই নাইম ও আরাফাতকে বসিয়ে রেখে কালেশনে যাই। এসময় ওই সন্ত্রাসীরা নেশাগ্রহস্থ অবস্থায় আমার দোকানে তান্ডব চালায়। দোকানে বসিয়ে রাখা ৩ জনকে মারধর করে ক্যাশ বাক্স ভেঙ্গে ২লাখ ৫৮ হাজার টাকা লুটে নিয়ে যায়। তাদের তান্ডবে এলাকাবাসীর মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। এঘটনায় আমার ছেলে বাদি হয়ে মামলা করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ বিভাগের আরও খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Translate »
Translate »