শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন

দুই দিনে মোস্তফা হত্যার ক্লু উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ

রিপোর্টার : / ১২১ জন পড়েছেন
শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০২০, ১০:৪১ অপরাহ্ন
দুই দিনে মোস্তফা হত্যার ক্লু উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ

ফতুল্লায় মোস্তফা হাওলাদার(৪৮) হত্যাকান্ডের দুই দিন পেরিয়ে গেলেও হত্যাকান্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন সহ জড়িত কোন ঘাতকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। এদিকে হত্যাকান্ডের ঘটমনায় বুধবার(১৯ নভেম্বর) রাতে নিহত মোস্তফার ছোট বোন রেহানা বেগম বাদী হয়ে ৩জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

মামলায় উল্লেখ করা হয়, চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি থানার বাইশ্রী গ্রামের মৃত হাসমত আলীর ছেলে মোস্তফা হাওলাদার ৩০/৩৫ বছর আগে প্রথম স্ত্রী রেহেনাকে গ্রামের বাড়ি রেখে নারায়ণগঞ্জে চলে আসেন। এরপর ১৮ বছর পূর্বে সীমা নামে অপর একজনকে বিয়ে করে একেক সময় একেক বাড়িতে ভাড়ায় বসবাস করতেন। সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে ডিপ টিউবওয়েল কন্ট্রাক্টরী করার সময় দ্বিতীয় স্ত্রী সীমার বড় ভাই খালেকের স্ত্রী খায়রুনের সঙ্গে মোস্তফার পরকিয়ার সম্পর্ক হয়।

 

এতে খায়রুন হোসিয়ারী ব্যবসা করার কথা বলে মোস্তফার নিকট থেকে বিভিন্ন সময় মোটা অঙ্কের টাকা ধার নেয়। সেই টাকা চাইতে গিয়ে খায়রুন ও মোস্তফার সঙ্গে বিরোধের সৃস্টি হয়। ১৩ নভেম্বর বিকেলে টাকা চাইতে গেলে খায়রুন ও তার ছেলে শাহজালাল তাদের দোকানের কর্মচারী জুয়েল সহ অজ্ঞাত লোকজন নিয়ে মোস্তফাকে মারধর করে রক্তাক্ত করেন। এঘটনায় তাদের ৩জনের নামে সদর থানায় অভিযোগ করেন মোস্তফা।

 

এতে করে বিবাদীরা চরম ক্ষিপ্ত হয়ে ১৮ নভেম্বর রাতে মোস্তফাকে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ফতুল্লার গলাচিপা এলাকার আউয়াল চেয়ারম্যানের বাড়ির সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা শেষে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

 

 

এবিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন বলেন, ঘটনার পর থেকে আসামীরা আত্মগোপন করেছে। এঘটনায় মামলা হয়েছে।হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের আরও খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Translate »
Translate »