বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২০, ০১:৪৯ অপরাহ্ন

অতিরিক্ত টাকা নেয়ায় রূপগঞ্জে গণপিটুনীর শিকার স্বাস্থ্যকর্মী

নিউজ নারায়ণগঞ্জ : / ৪১ জন পড়েছেন
আপডেট : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২০, ৭:৩৭ অপরাহ্ন
অতিরিক্ত টাকা নেয়ায় রূপগঞ্জে গণপিটুনীর শিকার স্বাস্থ্যকর্মী
ফাইল ফটো

করোনা নমুনা সংগ্রহ ও টেস্ট করতে সরকার নির্ধারিত ফি হাসপাতালে ২শ আর বাসায় ৫শ এর নিয়ম থাকলেও রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত স্বাস্থ্য সহকারী আব্দুল মতিন সাধারন লোকজনের কাছ থেকে আদায় করতেন হাজারেরর বেশি টাকা। শুধু তাই নয়, সরকারী ফি নির্ধারনের পূর্বেও গাজী পিসিআরকে বিতর্কিত করতে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা আদায় করতো বলে রয়েছে অভিযোগ।
সূত্র জানায়, নারায়ণগঞ্জ ১ আসনের এমপি, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতিক) এর মালিকানায় গাজী গ্রুপের নিজস্ব অর্থায়নে রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চনে একটি পিসিআর ল্যাব চালু করেন। সেখান থেকে করোনা ভাইরাসে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করানোর ব্যবস্থা করেন বিনামূল্যে।
করোনা ভীতি বেড়ে যাওয়ার ফলে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত স্বাস্থ্য সহকারী আব্দুল মতিন ল্যাবের দায়িত্বরত কর্মকর্তা আলমগীর কবীরের নামে প্রতি টেস্টে ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা করে গ্রহণ করতো। এ বিষয়ে করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করতে এসে রোগী ও স্বজনরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুষ গ্রহণের ভিডিও প্রকাশ করে প্রতিবাদ করলে উপজেলা প্রশাসনের টনক নড়ে।
সে সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার সাইদ আল মামুন উপজেলার প্রশাসনের সিদ্ধান্তে সিরিয়াল দিতে একটি মুঠোফোন নাম্বার ব্যবহার করেন। এতে সময় বেধে দেন বিকাল ৫ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত । আর ৫০ জনের জন্য নির্ধারন করেন প্রতিদিনের সিরিয়াল। এখানেও আব্দুল মতিন সিরিয়াল দিতে করোনা রোগীদের কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করার অভিযোগ রয়েছে।
গত ১৩ জুলাই সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে আসা ৪ জন রোগীর টেস্টে প্রতিজন থেকে ১ হাজার টাকা গ্রহণ করেও রিপোর্ট দিতে দেরী হয়। এ নিয়ে আব্দুল মতিনের সঙ্গে বাকবিতন্ডা হলে হাসপাতালের সামনেই আরো রোগীরা ক্ষুব্ধ হয়ে গণধোলাই দেয় আব্দুল মতিনকে। আব্দুল মতিনের চিৎকার শুনে হাসপাতালে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উদ্ধার করে চিকিৎসা দেন তাকে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল মতিনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
তবে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পণা কর্মকর্তা ডাক্তার সাইদ আল মামুন বলেন, সরকার নির্ধারিত ফি থেকে অতিরিক্ত ২ শ টাকা গ্রহণ করেছিলো মতিন। তা ফেরত দেয়া নিয়ে ভুল বুঝাবুঝি হলে তাদের মাঝে হাতাহাতি হয়। তবে তাৎক্ষনিক তা মিমাংসা করা হয়েছে।


এ বিভাগের আরও খবর

ফেসবুকে আমাদের যারা বন্ধু

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Translate »
Translate »