বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন

২৯ দিন পর অপহৃতাকে উদ্ধার করল পিবিআই

নিউজ নারায়ণগঞ্জ : / ৩৪ জন পড়েছেন
আপডেট : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২০, ২:৩২ পূর্বাহ্ন
২৯ দিন পরে অপহৃতাকে উদ্ধার করল পিবিআই নারায়নগঞ্জ
২৯ দিন পরে অপহৃতাকে উদ্ধার করল পিবিআই নারায়নগঞ্জ

অপহরনের ২৯ দিন পর অপহৃত মরিয়ম আক্তার মেঘলাকে (১৫) উদ্ধার করেছে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ। পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলামের নের্তৃত্বে বন্দর থানার একরামপুর ২৯ জুলাই বিকাল ৫টায় তাকে উদ্ধার করে। মরিয়ম আক্তার মেঘলা (১৫) গত ২২জানুয়ারী বিকাল অনুমান ০৪.১০ ঘটিকার সময় কোচিং সেন্টারে পড়তে যাওয়ার সময় মোঃ রাব্বি (২০), পিতা-মোঃ আলমগীর, সাং-একরামপুর, থানা-বন্দর, জেলা-নারায়নগঞ্জ তার বন্ধু বান্ধব নিয়া ভিকটিমকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। ভিকটিম বিবাদী রাব্বির কথায় রাজী না হওয়ায় রাব্বি তার পিতা মাতাসহ বাদীর বাড়ীতে যাইয়া রাব্বীর সাথে ভিকটিমের বিবাহের জন্য প্রস্তাব দেয়।

ভিকটিম নাবালিকা হওয়ায় ভিকটিমের পিতা-মাতা বিবাহে রাজী না হওয়ায় বিবাদী রাব্বী ও তার পিতা-মাতা ভিকটিমের পিতা-মাতাকে গালিগালাজ করে ফিরে আসে। গত ০১/০৭/২০২০খ্রিঃ বিকাল অনুমান ০৪.১০ ঘটিকার সময় প্রতিদিনের ন্যায় কোচিংয়ে যাওয়ার পথে উইলসন রোড একরামপুর পৌছামাত্র বিবাদী তার সহযোগীদের নিয়ে মেঘলার গতিরোধ করে তাকে ১টি মাইক্রোবাসে তুলে অপহরন করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।
পরে মেঘলার মা নাজমা আক্তার বাদী হয়ে  রাব্বীসহ ০৪ জনের বিরুদ্ধে  নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, নারায়নগঞ্জ আদালতে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করেন।  মামলা নং-১৬১/২০২০, ধারাঃ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং/০৩) এর ৭/৩০। আদালত মামলাটি গ্রহন করে পিবিআই নারায়নগঞ্জকে তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেন।
আদালতের নির্দেশে  পিবিআই নারায়নগঞ্জ জেলা এর পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোঃ মনিরুল ইসলাম মামলাটির তদন্তভার গ্রহন করেন। তিনি  মরিয়ম আক্তার মেঘলাকে উদ্ধারে নারায়নগঞ্জ জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করেন। পরে মামলার নিয়োজিত গুপ্তচর ও আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সংবাদ প্রাপ্তির পর মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম (পিপিএম), পুলিশ সুপার, পিবিআই নারায়নগঞ্জ জেলা এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান তদন্তকারী অফিসার এর নেতৃত্বে একটি টিম ভিকটিম মরিয়ম আক্তার মেঘলা (১৫)কে গত ২৯/০৭/২০২০খ্রিঃ বিকাল অনুমান ৫ টায়  বন্দর থানার একরামপুর হতে উদ্ধার করে। তাকে মেডিকেল পরীক্ষা শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং/০৩) এর ২২ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহন করে।   আদালতের নিদের্শে মেঘলাকে তার মায়ের জিম্মায় দেয়া হয়।


এ বিভাগের আরও খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Translate »
Translate »