জনমত এখনো বাদল শওকতের পক্ষে

গত পাঁচ বছরে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ইউনিয়নগুলির মাঝে সবচেয়ে বেশি বরাদ্ধ নিয়েছেন এম সাইফ উল্লাহ বাদল এবং তারপর রয়েছেন শওকত আলী। তাই কাশীপুর এবং বক্তাবলী ইউনিয়নে বেশ ভালো উন্নয়ন হয়েছে। এই দুটি উনিয়নে এই দুই নেতার কোনো বিকল্প নেই বলেই মনে করেন ইউনিয়ন দুটির সাধারন মানুষ। তারা মনে দুটি ইউনিয়নে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন এ দুই চেয়ারম্যান।

 

তাই তারা যদি আবারও চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তাহলে আরো উন্নয়ন করবেন। কারন স্থানীয় সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান তাদেরকে বড় ভাইয়ের মতো মানেন। তাই তারা যেভাবে চাইছেন সেভাবেই এলাকার উন্নয়ন করে চলেছেন শামীম ওসমান। ফলে সাইফ উল্লাহ বাদলকে এবং শওকত আলীকে কাজে লাগানোই হবে দুটি ইউনিয়নবাসীর জন্য বুদ্ধিমানের কাজ।

 

এমনই মন্তব্য করেন কাশীপুর ও বক্তাবলীর বিভিন্ন এলাকার সাধারন মানুষ। তারা মনে করেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সাইফ বাদল এবং শওকত আলীই আবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন।


এদিকে বিষয়ে কাশীপুরের গোদনাইল এলাকার বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, আমরা কাশীপুরের চেয়ারম্যান হিসাবে সাইফ উল্লাহ বাদলকেই চাই। কারন বর্তমানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায়। তাই এলাকার উন্নয়ন করতে হলে আওয়ামী লীগ থেকেই চেয়ারম্যান বানাতে হবে। বিশেষ করে সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান যাকে পছন্দ করেন তাকেই বানাতে হবে চেয়ারম্যান। কারন এমপির হাতেই সকল উন্নয়নের চাবি।

 

আর ফতুল্লার রাজনীতিতে থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফ উল্লাহ বাদলকেই বড় ভাইয়ের মতো মানেন শামীম ওসমান। তাই আমরা মনে করি তিনি যদি আমাদের চেয়ারম্যান হন তাহলে সেটা হবে আমাদের জন্য সৌভাগ্যের ব্যাপার। কারন ইউনিয়নবাসীর উন্নয়নে তিনি যা করতে পারবেন অন্য কেউ সেটা পারবে না। তাই আমি মনে করি এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসাবে সাইফ উল্লাহ বাদলের কোনো বিকল্প নেই।


একই রকম প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেন বক্তাবলীর চর প্রসন্ননগর গ্রামের বাসিন্দা সুরুজ্জামাল। তিনি বলেন, শওকত চেয়ারম্যান গত পাঁচ বছরে ইউনিয়নের ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। আমি মনে করি আমাদের প্রয়োজনেই তাকে আমাদের দরকার। তিনি যদি চেয়ারম্যান হন তাহলে বক্তাবলীর আরো উন্নয়ন হবে। ইউনিয়নের বাকী সমস্যাগুলিরও সমাধান হবে। তাই আমরা এবারও তাকেই চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চাই।

আরও পড়ুন: আরেক বার মনোয়ান চাইবো আনোয়ার হোসেন


অপরদিকে রাধানগর গ্রামের বসিন্দা হাফিজ উদ্দি বলেন, গত কয়েক বছর ধরে যে ধরনের নির্বাচন হচ্ছে তাতে নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বীমূলক হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাই চেয়ারম্যান যিনিই হন না কেনো আওয়ামী লীগ থেকেই হবেন। তাই আমরা মনে করি এই শওকত আলীই হতে পারেন সবচেয়ে ভালো প্রার্থী। কারন তিনি যোগ্য নেতা। তিনি একই সঙ্গে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগেরও সাধারন সম্পাদক। তাই তিনি যে উন্নয়ন করতে পারবেন অন্য কেউ সেটা পারবেন না। তাই ইউনিয়নবাসী আবারও তাকেই চায় বলে আমি মনে করি। বক্তাবলীতে অন্তত শওকত আলীর কোনো বিকল্প নেই।  

 

মন্তব্যসমূহ (০)


Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন